২রা অক্টোবর, ২০২০ ইং, ১৭ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম :

জনপ্রিয় হচ্ছে ভাসমান বেডে সবজি চাষ

বৃহত্তর সিলেটসহ সারাদেশের অনেকাংশ হাওরাঞ্চল। এ হাওরাঞ্চল পানিতে ডুবে থাকে। এসব এলাকার বাড়ির আশপাশ, বিল-ঝিলে পানি থাকে। অনেক বাড়ির মজা পুকুর, দীঘিও খালি পড়ে থাকে। এগুলো সাধারণত ফেলে রাখা হয়। পানিতে ডুবে থাকা এসব জায়গায় সবজি চাষের বিপুল সম্ভবনা দেখা দিয়েছে।

মৌলভীবাজারের আকবরপুরে কৃষি গবেষণা কেন্দ্র ভাসমান বেডে সবজি চাষ করে সফল হয়েছে। মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের চাষিরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সফল হয়েছে। ফলে ভাসমান বেডে সবজি চাষ পদ্ধতি হাওরের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে গবেষণা কেন্দ্র।

সবজি চাষি ফুলমতি বেগম জানান, আকবরপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে লোকজন এসে ডোবার মধ্যে ভাসমান বেডে তাদের সবজি চাষ করতে বলেন। এতে তারা ডোবায় তিনটি বেডে সবজি চাষ করেছেন। একটিতে শসা, একটিতে বাংলা লাউ ও একটিতে লাল শাক। এমন সবজি চাষের অভিজ্ঞতা নতুন হওয়ায় ফলন প্রথমবার আশানুরূপ হয়নি। কিছু ফসল পোকায় নষ্ট করেছে। তবে তাদের দেখে প্রতিবেশীও ডোবায় নতুন বেড তৈরি করছেন।

vasoman-in

আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বৃহত্তর সিলেটের হাওরাঞ্চলের অনেক জায়গা বর্ষাকালে পানিতে ডুবে থাকে। ভাসমান বেডে শীত ও বর্ষাকালীন শাক-সবজি চাষ করা সম্ভব। এতে খরচ কম। রোগ-বালাই, পোকা-মাকড়ের উপদ্রবও কম। কীটনাশক ও সার তেমন একটা দিতে হয় না।

তিনি আরও বলেন, ‘হাওরাঞ্চলের লোকজনকে সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ‘ভাসমান কৃষি প্রযুক্তি জনপ্রিয়করণ ও সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় আগ্রহী চাষিদের প্রাথমিকভাবে বিনামূল্যে বেড তৈরি করে দিচ্ছে। এ পর্যন্ত আকবরপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে সাতটি, বাইক্কা বিলে চারটি এবং হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে আটটি বেড করা হয়েছে।’

Share Button